স্বামী অসুস্থ হলে তাকে সেবা করতে হবে।
তাকে প্রতীকি শাস্তি দেয়া যাবে। তবে ধর্মের দোহাই দিয়ে তাকে শারীরিক বা মানসিকভাবে গুরুতর শাস্তি দেয়া যাবে না। নারী একদিকে গৃহবধূ, অন্যদিকে সেবাদানকারিণী।
তাই স্বামী অসুস্থ হলে তাকে সেবা করতে হবে। প্রয়োজনে তার কাছে রক্ষিত সম্পদও ব্যয় করতে হবে। হযরত ইয়াকুব নবী (আ.) ১৮ বছর কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত থাকলে তার স্ত্রী রহিমা তাকে সুষ্ঠুভাবে সেবা করেন। রাসূল (সা.) বলেন, নারীর জন্য জিহাদ হল তার স্বামীর সেবা করা।
তাকে প্রতীকি শাস্তি দেয়া যাবে। তবে ধর্মের দোহাই দিয়ে তাকে শারীরিক বা মানসিকভাবে গুরুতর শাস্তি দেয়া যাবে না। নারী একদিকে গৃহবধূ, অন্যদিকে সেবাদানকারিণী।

0 Comments